
এস এম রফিক সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর পল্লবীতে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ চার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৪)। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পরিচালিত সাঁড়াশি অভিযানের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, “বাংলাদেশ আমার অহংকার”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূলে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে র্যাব। চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত শীর্ষ অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে এই বাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল পল্লবী থানাধীন আরমান কমিউনিটি লার্নিং সেন্টারের পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলেন—
মোঃ জুয়েল ওরফে আরমান ওরফে হ্যাচকা আরমান (২৬),
মোঃ রিপন ওরফে কেনি (৩৫),
মোঃ জাহিদ (২৭) এবং
মোঃ আরমান হোসেন ওরফে বাবা আরমান (৩১)।
র্যাব জানায়, উক্ত নির্মাণাধীন ভবনে ৭-৮ জন চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ডাকাতির পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছে—এমন তথ্য পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালানোর চেষ্টা করলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয় জনগণের সহায়তায় চারজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা তাদের কাছে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে অভিযান চালিয়ে নির্মাণাধীন ভবনটি থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড তাজা গুলি, চারটি দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা ট্যাবলেট ও ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসীরা মিরপুর, পল্লবী, ভাষানটেক ও ক্যান্টনমেন্ট থানাসহ আশপাশের এলাকায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে পেশাদার সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি হিসেবে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক ও ছিনতাই সংক্রান্ত মামলা রয়েছে।
র করা হয়েছে।
Leave a Reply